রামধনু

খবর - সাহিত্য - জীবনধারা
Subscribe
এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান দুর্ঘটনা : এখন পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে

গত ১২ জুন ভরতে বিধ্বস্ত হয় এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান ড্রিমলাইনার। বিমানের দুই পাইলটের মধ্যে ককপিটে হওয়া কথোপকথনের রেকর্ডিং প্রকাশ্যে এসেছে। তাতে ধরা পড়েছে ক্যাপ্টেন নিজেই উড়োজাহাজের ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহের সুইচ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। বুধবার (১৬ জুলাই) ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে এ কথা জানিয়েছে।

ভারতের আহমেদাবাদে এয়ারপোর্ট থেকে উড়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে ২৬০ জন নিহত হয়েছেন।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কো-পাইলট ক্লাইভ কুন্ডার বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারটি ওড়াচ্ছিলেন। তিনি তার থেকে বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ক্যাপ্টেন সুমিত সভারওয়ালকে প্রশ্ন করেন, কেন তিনি রানওয়ে থেকে উড্ডয়নের মাত্র কয়েক সেকেন্ড পর জ্বালানির সুইচগুলো ‘কাট-অফ’ অবস্থায় দিয়েছেন।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের ওই প্রতিবেদন বিষয়ে বোয়িং মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

গত শনিবার (১২ জুলাই) ভারতের এয়ারক্র্যাফট অ্যাকসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (এএআইবি) প্রকাশিত এক প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়, উড্ডয়নের ঠিক পরপরই ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহের সুইচগুলো ‘রান’ (চালু) থেকে ‘কাট-অফ’ (বন্ধ) অবস্থায় চলে যায়। তবে কীভাবে সুইচগুলো পাল্টে গেল, সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।

উড্ডয়নের প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই বিমানের সিসিটিভি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ‘র‌্যাম এয়ার টারবাইন’ নামে একটি বিকল্প জ্বালানির উৎস চালু হয়ে গেছে। এটি ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এরপর ককপিট ভয়েস রেকর্ডারে এক পাইলটকে অন্যজনকে জিজ্ঞাসা করতে শোনা যায়, ‘কেন আপনি জ্বালানি বন্ধ করে দিলেন?’ জবাবে অপর পাইলট বলেন, তিনি তা করেননি।

ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় লন্ডনগামী বিমানটির গতি কমতে থাকে। ৬৫০ ফুট উচ্চতায় পৌঁছানোর পর, সেটি গতি কমে নিচে নামতে শুরু করে।

দুই ইঞ্জিনের জ্বালানির সুইচ আবার ‘রান’ করা বা চালু করা হয় এবং বিমানটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইঞ্জিন দুটি পুনরায় সচল করার চেষ্টা করে বলেও ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *